"পায়ের আয়ু বাড়ান !"

পায়ের সঠিক যত্ন না নিলে, আপনার অবহেলা থেকেই হতে পারে পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে শুরু করে,ব্যথা বা অস্বস্তি, যা কেবল আপনার স্বাচ্ছন্দ্যই নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে আপনার স্বাস্থ্যেও প্রভাব ফেলে।এ ছাড়াও ঠান্ডা আবহাওয়ায় আমাদের পায়ের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়,যা থেকে চুলকানি, ইনফেকশন ও হতে পারে।এই সমস্যাগুলোর কারনে পায়ের আরামের অভাবে অনেকেই বিপাকে পড়েন।পায়ের সঠিক যত্ন না নিলে অসুস্থ পায়ে আপনার প্রিয় জুতা ব্যবহারে আরামদায়ক অভিজ্ঞতাও হারাতে পারেন।এই সমস্যাগুলোর সমাধানে আমরা নিয়ে এসেছি আপনার জন্য সহজ কিছু টিপস, যা আপনার পা সুস্থ, আরামদায়ক এবং সৌন্দর্যে সাহায্য করবে।
তাহলে জেনে নেওয়া যাক পায়ের যত্ন নেয়ার সহজ কিছু টিপস:
- 1️⃣পায়ের পরিষ্কার রাখুন ও ত্বকের যত্ন নিন: পা ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। আর্দ্র পায়ে জীবাণু জন্মানোর ঝুঁকি থাকে।জুতার বারবার ঘর্ষণে পায়ের ত্বকের শীর্ষ স্তর পুরু ও আঁইশযুক্ত হতে পারে।তাই পায়ের গোড়ালি ও তলার মৃতকোষ দূর করতে ঝামাপাথর ব্যবহার করতে পারেন।প্রতিদিন গোসলের পর পায়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।ঠান্ডা আবহাওয়ায় পায়ের শুষ্ক ত্বকের জন্য লোশন বা ফুট ক্রিম ব্যবহার করুন অথবা নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলও কার্যকর।
- 2️⃣পায়ের নখ ছোট রাখুন:পায়ের নখ সবসময় ছোট রাখার চেষ্টা করুন, নখের চারপাশের কোণে কোথাও ত্বকের কোনো অংশ বেড়ে থাকলে বা ত্বকের মৃত অংশ থাকলে সেটা সাবধানে সরিয়ে ফেলুন ক্ষুদ্র যন্ত্রের (নখ পরিষ্কার করার বিশেষ ‘টুল’) সাহায্যে।
- 3️⃣টাইট জুতা এড়িয়ে চলুন: জুতায় পা ভালোভাবে ফিট না হলে অথবা আঙুলগুলো অস্বাভাবিক অবস্থানে চলে গেলে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। জুতা আঙুলগুলোকে চেপে ধরলে স্নায়ুতে সংকোচন ও প্রদাহ হতে পারে। তাই আঁটসাঁট জুতা এড়িয়ে চলুন। জুতা কেনার আগে নিশ্চিত হোন যে পা বা আঙুলের স্বস্তির জন্য যথেষ্ট স্পেস ও সাপোর্ট রয়েছে।
- 4️⃣পুরোনো জুতা পরিহার করুন: পুরোনো স্নিকার্স স্বস্তিকর হলেও এগুলো পায়ের ক্ষতি করতে পারে। জুতার সোল ক্ষয়ে গেলে পায়ের হাড় ও জয়েন্টে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। আমাদের পায়ের বলে চর্বি ভর্তি ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠ রয়েছে। এটা শক অ্যাবজরবার (আঘাত শোষণকারী) হিসেবে কাজ করে, যা বয়স বাড়লে পাতলা হতে শুরু করে। একারণে জুতা থেকে বাড়তি সাপোর্টের প্রয়োজন পড়ে।
- 5️⃣শীতে মোজা পরে ঘুমান: আপনি এর আগে কখনো মোজা পরে না ঘুমালেও আজ থেকে এ অভ্যাসটি রপ্ত করার চেষ্টা করুন। সুতি বা উল দিয়ে তৈরি মোজা ব্যবহার করুন যা পায়ে ঘাম জমতে দেবে না।মোজা পরে ঘুমালে ঠান্ডা আবহাওয়ায় পা উষ্ণ থাকে। পায়ের উষ্ণতায় রক্তনালী প্রসারিত হয়, যা সারা শরীরের তাপ পুনর্বন্টনে সহায়তা করে। এতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে ও পায়ের বিশ্রাম বেশি হবে।
আপনার পায়ের সৌন্দর্য এবং আরাম ধরে রাখতে এখন থেকেই এই যত্নগুলো শুরু করুন।এতে আপনি স্বস্তি পাবেন এবং সুস্থতার সাথে দিন কাটাতে পারবেন ইনশাআল্লাহ!
[SHALEEN-শালীন] — শালীনতায় সৌন্দর্য।